অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ : Sep 19, 2026 ইং
অনলাইন সংস্করণ

মানবতার নীরব দূত ইতালীয় মিশনারিরা

মানবতার নিঃশব্দ পদচারণা: বাংলাদেশে ইতালীয়দের অবদান ও ঐতিহাসিক স্বীকৃতি

- নিকোলাস বিশ্বাস

সীমানা, ভৌগোলিক দূরত্ব কিংবা ধর্মীয় পরিচয়ের সংকীর্ণ গণ্ডি পেরিয়ে নিঃস্বার্থ মানবসেবায় জীবন উৎসর্গ করার ইতিহাস পৃথিবীতে নতুন নয়। তবে স্বাধীন বাংলাদেশে ইতালীয় মিশনারিদের কয়েক দশকের নীরব ত্যাগ, সেবা ও আত্মনিবেদন সেই ইতিহাসকে দিয়েছে এক অনন্য মর্যাদা। দক্ষিণবঙ্গের ঝোড়ো উপকূলীয় অঞ্চলের কুষ্ঠ ও যক্ষ্মারোগী থেকে শুরু করে উত্তরবঙ্গের সমতলের সাঁওতাল সম্প্রদায় কিংবা পার্বত্য চট্টগ্রামের দুর্গম পাহাড়ি উপত্যকার সুবিধাবঞ্চিত শিশু—দেশের অবহেলিত, চরম শোষিত ও প্রান্তিক মানুষের পাশে ইতালীয় ধর্মযাজক ও সন্ন্যাসিনীরা দাঁড়িয়েছেন পরম মমতা ও অভিভাবকত্ব নিয়ে।

সম্প্রতি ইতালীয় প্রজাতন্ত্রের মহামান্য প্রেসিডেন্ট সার্জিও মাত্তারেলা দুই নিবেদিতপ্রাণ ইতালীয় মিশনারি—সিস্টার রবার্টা পিনিওনে (Sister Roberta Pignone) এবং ফাদার পিয়েত্রো লুইজি লুপি (Father Pietro Luigi Lupi)—কে ইতালির অন্যতম সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় নাইট সম্মাননা ‘Cavaliere dell’Ordine della Stella d’Italia’ (অর্ডার অব দ্য স্টার অব ইতালি)-তে ভূষিত করেছেন। এটি শুধু তাঁদের ব্যক্তিগত অবদানের মূল্যায়ন নয়; বাংলাদেশে যুগের পর যুগ ধরে তাঁদের পালকীয় সেবা, চিকিৎসাসেবা ও আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে অবদানেরও ঐতিহাসিক স্বীকৃতি। একই সঙ্গে এ সম্মান ক্যাথলিক মণ্ডলীর সেবাকে নতুন মর্যাদা দিয়েছে এবং বাংলাদেশে বসবাসরত সমগ্র ইতালীয় সম্প্রদায়ের জন্য বয়ে এনেছে অনন্য গৌরব।

এটি ইতালির একটি অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ রাষ্ট্রীয় বেসামরিক সম্মাননা। বিদেশে ইতালির ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করা এবং অন্য দেশের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক উন্নয়নে অসামান্য অবদান রাখা ব্যক্তিদের এই ‘নাইট’ উপাধিতে ভূষিত করা হয়।

স্বাস্থ্যখাতে, বিশেষ করে দক্ষিণ বাংলাদেশের অবহেলিত চিকিৎসাব্যবস্থায় সিস্টার রবার্টা পিনিওনের অবদান এক মহাকাব্যিক ও অবিশ্বাস্য দৃষ্টান্ত। ‘মিশনারি সিস্টার্স অব দি ইমাকুলেট’ (বাংলাদেশে যাঁরা পিমে সিস্টার্স—PIME Sisters নামে পরিচিত) ক্যাথলিক সন্ন্যাসিনী সংঘের এই নিবেদিতপ্রাণ সদস্য পেশায় একজন দক্ষ চিকিৎসক। দক্ষিণবঙ্গের উপকূলীয়, দুর্গম ও সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর চিকিৎসাসেবায় তিনি নিজেকে পুরোপুরি বিলিয়ে দিয়েছেন।

খুলনা ধর্মপ্রদেশের অন্তর্গত ঐতিহাসিক ড্যামিয়েন হাসপাতালের (Damien Hospital) প্রকল্প পরিচালক এবং একমাত্র সার্বক্ষণিক চিকিৎসক হিসেবে সিস্টার রবার্টা পিনিওন এক যুগেরও বেশি সময় ধরে নিরবচ্ছিন্নভাবে দায়িত্ব পালন করে চলেছেন। উল্লেখ্য, বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলে কুষ্ঠ (Leprosy), যক্ষ্মা (TB) এবং এইচআইভি/এইডস (AIDS) আক্রান্ত সামাজিক অবহেলা ও বৈষম্যের শিকার রোগীদের জন্য ড্যামিয়েন হাসপাতালই একমাত্র বিশেষায়িত চিকিৎসাকেন্দ্র।

সিস্টার রবার্টা এখানে ৩৩ শয্যার মূল হাসপাতাল পরিচালনার পাশাপাশি আরও তিনটি গ্রামীণ ক্লিনিক ও ১৫টি যক্ষ্মা নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র তদারকি করেন। হাসপাতালের চার দেয়ালের মধ্যে নিজের সেবাকে সীমাবদ্ধ না রেখে খুলনার ঘনবসতিপূর্ণ বস্তি এলাকা ও অত্যন্ত দরিদ্র পরিবারগুলোর বাড়ি বাড়ি গিয়ে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসচেতনতা বৃদ্ধি এবং বিনামূল্যে মানসম্মত ওষুধ বিতরণ করে যাচ্ছেন তিনি।

সমাজে কুষ্ঠ ও যক্ষ্মা আক্রান্ত রোগীরা যেন কুসংস্কার, ছোঁয়াচে রোগের ভয় ও বৈষম্যের কারণে পরিবারচ্যুত না হন, সে লক্ষ্যেও তাঁর নিরলস মানসিক ও সামাজিক সংগ্রাম অব্যাহত রয়েছে। ফলে তাঁর এই কাজ চিকিৎসাসেবার গণ্ডি পেরিয়ে একটি মানবিক ও রূপান্তরকামী আন্দোলনে পরিণত হয়েছে।

অন্যদিকে, শিক্ষা বিস্তার, সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের সুরক্ষা এবং ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর মানবাধিকার প্রতিষ্ঠায় ফাদার পিয়েত্রো লুইজি লুপি—যাঁকে এদেশের মানুষ ভালোবেসে ফাদার লুপি নামে ডাকেন—এক নীরব অথচ গভীর সামাজিক পরিবর্তনের কাজ করে চলেছেন। ইতালীয় ক্যাথলিক সংঘ ‘জ্যভেরিয়ান ফাদার্স’ (Xaverian Fathers)-এর সম্মানিত পুরোহিত এবং বাংলাদেশে এই সংঘের সাবেক আঞ্চলিক সুপিরিয়র (Regional Superior) হিসেবে তিনি দীর্ঘদিন নেতৃত্ব দিয়েছেন।

এদেশের দরিদ্র, অসহায় ও জাতিগত সংখ্যালঘু মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং তাঁদের শিক্ষার আলোয় আলোকিত করতে তাঁর অবদান চিরস্মরণীয়। বিশেষ করে সাতক্ষীরা ও খুলনা অঞ্চলের চরম অবহেলিত ও প্রান্তিক ‘দলিত’ (Dalit) সম্প্রদায়ের আর্থ-সামাজিক রূপান্তরে ফাদার লুপির দূরদর্শী ভূমিকা অসাধারণ।

তাঁর নিরবচ্ছিন্ন উৎসাহ, দিকনির্দেশনা ও প্রত্যক্ষ সহায়তায় স্থানীয় দলিত যুবকরা উচ্চশিক্ষার সুযোগ পেয়েছেন এবং নিজেদের আইনি ও সামাজিক অধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ‘দলিত’ নামক শক্তিশালী এনজিও গড়ে তুলতে সক্ষম হয়েছেন। শুধু গ্রামীণ প্রান্তিক জনগোষ্ঠীই নয়, ঢাকার তেজগাঁও রেলস্টেশনসংলগ্ন নোংরা ও বিপজ্জনক বস্তি এলাকার ছিন্নমূল শিশুরাও যেন কঠোর শিশুশ্রম ও অপরাধের অন্ধকারে হারিয়ে না যায়, সে জন্য তিনি সমন্বিত স্কুল ও ডে-কেয়ার সেন্টার পরিচালনা করেছেন।

পাশাপাশি বান্দরবানের লামার মতো দুর্গম পাহাড়ি অঞ্চলের ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর শিশুদের শিক্ষাদানের সঙ্গেও তিনি যুক্ত রয়েছেন। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে কক্সবাজারে আশ্রয় নেওয়া অমানবিক পরিস্থিতির শিকার রোহিঙ্গা শরণার্থীদের খাদ্য, স্বাস্থ্য ও মানবিক সহায়তা নিশ্চিত করা এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে তাঁদের আর্তপীড়িত কণ্ঠস্বর তুলে ধরতেও ফাদার লুপি নিবিড়ভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। অস্বচ্ছল শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষার জন্যও তিনি আর্থিক সহায়তা প্রদান করেন।

বাংলাদেশে ইতালীয় মিশনারিদের এই নিঃস্বার্থ সেবা ও ভালোবাসার ইতিহাস কেবল সাম্প্রতিক কয়েক দশকের ঘটনা নয়; এর রক্ত ও আত্মার শক্ত শেকড় প্রোথিত রয়েছে আমাদের ১৯৭১ সালের গৌরবময় মহান মুক্তিযুদ্ধেও। পাকিস্তানি বাহিনীর পাশবিক বর্বরতা ও গণহত্যার মুখে জ্যভেরিয়ান (Xaverian) এবং পিমে (PIME) মিশনের ইতালীয় পুরোহিতরা নিজেদের গির্জা, মিশন ও আশ্রয়কেন্দ্রগুলোকে চরম প্রাণভয় উপেক্ষা করে ভীত-সন্ত্রস্ত সাধারণ মানুষের জন্য নিরাপদ আশ্রয়স্থলে পরিণত করেছিলেন। তাঁরা স্বাধীনতাকামী মানুষের পাশে পরম বন্ধুর মতো দাঁড়িয়েছিলেন।

বিশেষভাবে ফাদার মারিনো রিগন বানিয়ারচর ধর্মপল্লীতে আহত মুক্তিযোদ্ধাদের গোপন আশ্রয়ে রেখে চিকিৎসা দিয়েছেন এবং তাঁদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করেছেন। তাঁর এই বীরত্বপূর্ণ মানবিক অবদান ও অকৃত্রিম বন্ধুত্বের ঐতিহাসিক স্বীকৃতিস্বরূপ ২০১২ সালে বাংলাদেশ সরকার জ্যভেরিয়ান মিশনারি ফাদার মারিনো রিগনকে আনুষ্ঠানিকভাবে ‘মুক্তিযুদ্ধ মৈত্রী সম্মাননা’ (Friends of Liberation War Honour) প্রদান করে।

ফাদার মারিনো রিগন ছিলেন এদেশের ইতালীয় মিশনারিদের মধ্যে এক উজ্জ্বলতম নক্ষত্র। দীর্ঘ ৬০ বছরেরও বেশি সময় বাংলাদেশে অবস্থান করে শিক্ষা বিস্তার ও মানবসেবার পাশাপাশি বাংলা সাহিত্য ও সংস্কৃতিকে আপন হৃদয়ে ধারণ করেছিলেন তিনি। বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং কবি জসীমউদ্দীনের বিখ্যাত সাহিত্যকর্ম ইতালীয় ভাষায় অনুবাদ করে বিশ্বদরবারে বাংলা সাহিত্যকে নতুনভাবে তুলে ধরেছিলেন।

এই অসামান্য অবদানের জন্য ২০০৯ সালে বাংলাদেশ সরকার তাঁকে অনন্য সম্মানসূচক নাগরিকত্ব (Honorary Citizenship) প্রদান করে। ২০১৭ সালে ইতালিতে তিনি মৃত্যুবরণ করলেও তাঁর শেষ ইচ্ছা ছিল প্রিয় বাংলার মাটিতেই শায়িত হওয়া। সেই আকাঙ্ক্ষাকে সম্মান জানিয়ে ২০১৮ সালে বাংলাদেশ সরকারের বিশেষ ও ঐতিহাসিক উদ্যোগে তাঁর মরদেহ ইতালির রোম থেকে মোংলার শেলাবুনিয়া গ্রামে নিয়ে আসা হয়। সেখানে বাংলাদেশ পুলিশের একটি চৌকস দল তাঁকে গার্ড অব অনার প্রদান করে এবং সম্পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় সমাহিত করা হয়।

এ ছাড়া উত্তরাঞ্চলের সাঁওতাল ও অন্যান্য ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর মানুষের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন, ভূমি অধিকার ও শিক্ষার প্রসারে ফাদার পাওলো চিচেরি সহ বহু ইতালীয় পিমে (PIME) মিশনারির ঐতিহাসিক ভূমিকা স্থানীয় প্রশাসন ও জাতীয় পর্যায়ে সবসময় ভূয়সী প্রশংসা লাভ করেছে।

এই মহান ত্যাগের বার্তা শুধু সেবার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; এটি মূলত ধর্মীয় সম্প্রীতি ও মানবিক মেলবন্ধনের এক পরম শিক্ষা। বাংলাদেশের প্রথম কার্ডিনাল প্যাট্রিক ডি’ রোজারিও সিএসসি যথার্থই মন্তব্য করেছেন, বিভিন্ন ধর্মের মানুষের মধ্যে পারস্পরিক অনাস্থা ও ভুল ধারণা দূর করতে খ্রিস্টানদের সম্প্রীতির সেতু হিসেবে কাজ করা অপরিহার্য। আন্তধর্মীয় সংলাপ ও প্রত্যক্ষ ভালোবাসার মাধ্যমে গড়ে ওঠা এই মানবিক সম্পর্কই সমাজকে সুন্দর ও শান্তিময় করে তুলতে পারে।

বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন বৈশ্বিক মেরুকরণ, অর্থনৈতিক স্বার্থপরতা ও বর্ণবাদী অসহিষ্ণুতা বিস্তার লাভ করছে, ঠিক সেই সময়ে এই ইতালীয় মিশনারিদের আত্মত্যাগী জীবন আমাদের নতুন করে শেখায়—প্রকৃত মানবধর্ম কোনো ভৌগোলিক সীমানা, জাতীয়তা কিংবা প্রাতিষ্ঠানিক পরিচয়ে সীমাবদ্ধ থাকে না।

সিস্টার রবার্টা ও ফাদার লুপির মতো দূরদর্শী সাধকেরা বাংলাদেশের স্বাস্থ্য ও সামাজিক রূপান্তরে যে নীরব অবদান রেখে চলেছেন, তা বাংলাদেশ ও ইতালির মধ্যকার দ্বিপাক্ষিক ও কূটনৈতিক সম্পর্কেরও অন্যতম শক্তি। এই সম্পর্ক কেবল ব্যবসা-বাণিজ্য কিংবা রাজনীতির ওপর প্রতিষ্ঠিত নয়; বরং রক্ত, মমতা ও নিঃস্বার্থ ভালোবাসার এক ইস্পাতকঠিন ভিতের ওপর গড়ে উঠেছে।

বাংলাদেশের এই নিভৃত আলো ছড়ানো বিদেশি বন্ধুদের প্রতি রাষ্ট্র, সমাজ এবং এদেশের প্রতিটি সচেতন নাগরিকের বিনম্র শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা জানানো আমাদের নৈতিক দায়িত্ব।

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

এসডিজি অর্জনে বিশ্বনেতাদের একসঙ্গে কাজের আহ্বান

1

সৌদি-যুক্তরাষ্ট্রের পারমাণবিক সহযোগিতা চুক্তি স্বাক্ষর

2

রাশিয়ায় গ্যাস বিস্ফোরণে আরও এক বাংলাদেশি নিহত

3

ফুলবাড়ীতে বর্ণাঢ্য উল্টো রথযাত্রা অনুষ্ঠিত

4

তেঁতুলিয়ায় জুলাই যোদ্ধাদের আমন্ত্রণ না দেওয়ায় ক্ষোভ

5

ইথিওপিয়ায় অপহৃত দুই বাংলাদেশি দেশে ফিরলেন

6

১.৬৪% কমেছে পোশাক রপ্তানি আয়

7

পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় ইজারার সরকারি দরকে বৃদ্ধাঙ্গুলি চেয়ারম্য

8

জাতিসংঘ অধিবেশনে যোগ দিতে ২১ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্ক যাচ্ছেন প্র

9

রাজশাহী বিএনপি নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় তারেক রহমানের

10

ফুলবাড়ীতে ট্রাকের পেছনে মোটরসাইকেলের ধাক্কা, যুবক নিহত

11

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে জিয়া-খালেদার সমাধিতে তারেক রহমানের শ্রদ্

12

২০২৭ সালের পাঠ্যবইয়ে জিয়াউর রহমানের ‘স্বাধীনতা যুদ্ধের স্মৃত

13

রুহুল কবির রিজভীর সঙ্গে ব্রিটিশ হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ

14

বাংলাদেশ-যুক্তরাজ্য সহযোগিতা আরও বিস্তৃত করার প্রত্যাশা এলজি

15

প্রাণনাশের হুমকি পেয়েছিলেন এই তারকারাও

16

একনেকে ১.৬৮ লাখ কোটি টাকার ১২ প্রকল্প অনুমোদন

17

হরিপুরে প্রেমের ফাঁদে প্রতারণা, যুবক গ্রেফতার

18

সাজু স্যারকে ঘিরে বিতর্ক: অভিযোগভিত্তিক সংবাদ প্রকাশের ব্যাখ

19

শিপিং রিপোর্টার্স ফোরামের সভাপতি হাবিব, সম্পাদক রাকিব

20