ঠাকুরগাঁও রেঞ্জের পীরগঞ্জ ফরেস্ট বিটের আওতায় রাণীশংকৈল উপজেলার বাহেরপাড়া মৌজায় ১ দশমিক ৩৯ একর বনভূমি জবরদখলমুক্ত করেছে বন বিভাগ। উদ্ধার করা জমিতে বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা রোপণ করে বন বিভাগের নিয়ন্ত্রণে নেওয়া হয়েছে। এ কার্যক্রমে বিট কর্মকর্তা মহসিনের উদ্যোগের পাশাপাশি প্রশাসনের সহযোগিতার কথাও উঠে এসেছে।
বনভূমি রক্ষা ও জবরদখলমুক্ত করার ক্ষেত্রে পদ-পদবির চেয়ে একজন কর্মকর্তার যোগ্যতা, সততা, দক্ষতা ও সাহসিকতা বেশি গুরুত্বপূর্ণ। দায়িত্বের প্রতি নিষ্ঠা এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়ানোর মানসিকতা থাকলে বন সংরক্ষণে ইতিবাচক পরিবর্তন আনা সম্ভব। ঠাকুরগাঁও রেঞ্জের পীরগঞ্জ ফরেস্ট বিটের বিট কর্মকর্তা মহসিনের কার্যক্রমকে কেন্দ্র করে এমন প্রত্যাশার কথা তুলে ধরা হয়েছে।
বনভূমি জবরদখলমুক্ত করা, পরিকল্পিতভাবে অভিযান পরিচালনা এবং উদ্ধার করা জমিতে নতুন বনায়ন সৃষ্টির ক্ষেত্রে মহসিনের উদ্যোগ ও কর্মতৎপরতার প্রশংসা করা হয়েছে। বন বিভাগের প্রতিটি বিটে তাঁর মতো দায়িত্বশীল, দক্ষ ও কর্মোদ্যোগী কর্মকর্তা থাকলে বন সংরক্ষণ কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।
সামাজিক বন বিভাগ, দিনাজপুরের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মহোদয়ের নির্দেশনায় ঠাকুরগাঁও রেঞ্জের পীরগঞ্জ ফরেস্ট বিটের আওতায় রাণীশংকৈল উপজেলার বাহেরপাড়া মৌজায় ১ দশমিক ৩৯ একর বনভূমি জবরদখলমুক্ত করা হয়েছে। উদ্ধার করা জমিতে বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা রোপণ করে তা বন বিভাগের নিয়ন্ত্রণে নেওয়া হয়েছে।
অন্যদিকে, একই কার্যক্রমের অংশ হিসেবে বাঁশগাড়া মৌজায় বনভূমি উদ্ধারের অভিযান চলমান রয়েছে। সেখানে ৮৪ একর বনভূমি উদ্ধারের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।
বনভূমি উদ্ধারের এসব কার্যক্রমে প্রশাসনের সহযোগিতাকে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। এর আগে অন্য একটি রেঞ্জে অভিযানের সময় সহকারী কমিশনার (ভূমি) ইসতিয়াক আহমেদের সঙ্গে কাজ করার অভিজ্ঞতা ছিল সংশ্লিষ্ট বনকর্মীর। কাহারোল উপজেলায় বনভূমি জবরদখলমুক্ত করার কার্যক্রমে আবারও তাঁর সঙ্গে কাজ করার সুযোগ তৈরি হওয়ায় বন সংরক্ষণ কার্যক্রমে নতুন উদ্যম ও সমন্বয়ের প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে।
সংশ্লিষ্টদের প্রত্যাশা, আন্তরিকতা, সাহস, সঠিক পরিকল্পনা এবং প্রশাসনিক সহযোগিতার সমন্বয়ে বনভূমি উদ্ধারের কার্যক্রম আরও এগিয়ে যাবে। একই সঙ্গে দায়িত্ব পালনে কর্মকর্তাদের সততা, দক্ষতা ও নিষ্ঠাকে গুরুত্ব দিয়ে বনভূমি জবরদখলমুক্ত করার পাশাপাশি উদ্ধার করা জমিতে নতুন বন সৃষ্টির উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে।
মন্তব্য করুন