অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ : Jul 26, 2026 ইং
অনলাইন সংস্করণ

কেন মেয়াদ শেষের আগেই পদ ছাড়লেন রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন

কেন মেয়াদ শেষের আগেই পদ ছাড়লেন রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন

২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল থেকে ২০২৬ সালের ২৪ জুলাই—এই তিন বছর তিন মাস বাংলাদেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের দায়িত্বকাল ছিল দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের অন্যতম আলোচিত ও ঘটনাবহুল অধ্যায়। আওয়ামী লীগের শাসনামলে দায়িত্ব গ্রহণ করলেও ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে ক্ষমতার পরিবর্তনের সাক্ষী হন তিনি।

তার হাত দিয়েই প্রথমে ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার এবং পরে নির্বাচনের মাধ্যমে গঠিত বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকার শপথ গ্রহণ করে। ভিন্ন দুই রাজনৈতিক বাস্তবতায় একই রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন বাংলাদেশের ইতিহাসে বিরল ঘটনা।

গত শুক্রবার (২৪ জুলাই) জাতীয় সংসদের স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদের কাছে পদত্যাগপত্র জমা দিয়ে দায়িত্ব ছাড়েন মো. সাহাবুদ্দিন। পদত্যাগপত্রে শারীরিক ও মানসিক অসুস্থতার কথা উল্লেখ করা হলেও রাজনৈতিক অঙ্গনে তার বিদায়ের পেছনে আরও কয়েকটি কারণ নিয়ে আলোচনা চলছে।

সংশ্লিষ্টদের মতে, দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক চাপ, গ্রহণযোগ্যতার সংকট এবং একটি ‘সেফ এক্সিট’ নিশ্চিত করার সমঝোতাই শেষ পর্যন্ত তার পদত্যাগের পথ প্রশস্ত করে।

রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্রে শারীরিক ও মানসিক অসুস্থতাকে আনুষ্ঠানিক কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদও জানিয়েছেন, স্বাস্থ্যগত কারণেই তিনি দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন।

বঙ্গভবন ও সংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, ৭৪ বছর বয়সী মো. সাহাবুদ্দিন দীর্ঘদিন ধরে হৃদরোগ, উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস ও কিডনি জটিলতায় ভুগছিলেন। অতীতে তার হৃদযন্ত্রে বাইপাস সার্জারিও হয়েছিল। সম্প্রতি তার শরীরে ‘অটোনোমিক নিউরোপ্যাথি’ নামে বিরল স্নায়বিক রোগ শনাক্ত হয়, যার কারণে মাঝে মধ্যেই তিনি সাময়িকভাবে চেতনা হারাতেন। রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালনে এ ধরনের শারীরিক অবস্থা বড় বাধা হয়ে দাঁড়ায়। চিকিৎসকদের পরামর্শ ও নিজের শারীরিক সক্ষমতার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়েই পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন বলে পদত্যাগপত্রে উল্লেখ করেন তিনি।

তবে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, স্বাস্থ্যগত জটিলতা বাস্তব হলেও সেটিই একমাত্র কারণ ছিল না। বরং এটি দায়িত্ব ছাড়ার একটি গ্রহণযোগ্য ও সম্মানজনক ভিত্তি হিসেবে কাজ করেছে।

মো. সাহাবুদ্দিনের বিদায়ের মোড় ঘুরে যায় গত মে মাসে। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত হয়ে ভারতে অবস্থানরত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে তার ফোনালাপের খবর প্রকাশ্যে আসে।

জানা যায়, চিকিৎসার জন্য লন্ডনে অবস্থানকালে তিনি শেখ হাসিনার সঙ্গে কথা বলেন। বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতায় এ যোগাযোগ সরকার ও রাষ্ট্রপতির সম্পর্কের ক্ষেত্রে নতুন করে আস্থার সংকট তৈরি করে।

ফোনালাপের বিষয়টি সামনে আসার পর রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের দাবি আরও জোরালো হয়। এর আগের দিন সচিবালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছিলেন, ‘শুক্রবার পর্যন্ত অপেক্ষা করেন।’ পরদিন রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের মধ্য দিয়ে সেই বক্তব্যের তাৎপর্য স্পষ্ট হয়ে ওঠে।

বর্তমান বিএনপি সরকারের আগেই ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের সময় থেকে মো. সাহাবুদ্দিনকে ঘিরে রাজনৈতিক অস্বস্তি তৈরি হয়েছিল। ৫ আগস্টের পর গণঅভ্যুত্থানের নেতৃত্ব দেওয়া ছাত্রনেতারা তার পদত্যাগ দাবি করেন এবং বঙ্গভবন ঘেরাও কর্মসূচিও পালন করেন। যদিও সাংবিধানিক শূন্যতা এড়াতে বিএনপি তখন তাকে দায়িত্বে বহাল রাখার পক্ষে অবস্থান নেয়।

তারপরও অন্তর্বর্তী সরকারের সঙ্গে তার সম্পর্ক কখনোই পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়নি। ২০২৫ সালের ১১ ডিসেম্বর রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন সরকারের আচরণে তিনি নিজেকে ‘অপমানিত’ মনে করেছেন। তার অভিযোগ ছিল, প্রধান উপদেষ্টা দীর্ঘ সময় তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেননি, তার প্রেস বিভাগ সরিয়ে নেওয়া হয়েছিল এবং বিদেশে বাংলাদেশের বিভিন্ন মিশন থেকেও তার ছবি নামিয়ে ফেলা হয়েছিল।

একই সাক্ষাৎকারে তিনি ইঙ্গিত দেন, সংসদ নির্বাচনের পর মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই দায়িত্ব ছাড়তে পারেন। এরপর থেকেই রাজনৈতিক অঙ্গনে তার পদত্যাগ নিয়ে জোর আলোচনা শুরু হয়।

মো. সাহাবুদ্দিনের গ্রহণযোগ্যতায় বড় ধাক্কা আসে শেখ হাসিনার পদত্যাগপত্র নিয়ে দেওয়া পরস্পরবিরোধী বক্তব্যকে কেন্দ্র করে। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট জাতির উদ্দেশে ভাষণে তিনি বলেছিলেন, শেখ হাসিনা তার কাছে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন এবং তিনি তা গ্রহণ করেছেন।

কিন্তু কয়েক মাস পর এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, শেখ হাসিনার পদত্যাগপত্রের কোনো দালিলিক প্রমাণ বা আনুষ্ঠানিক কপি তার কাছে নেই।

দুই বক্তব্যের এই অসামঞ্জস্য ব্যাপক রাজনৈতিক বিতর্কের জন্ম দেয়। তৎকালীন আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুলসহ বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতারা তার বিরুদ্ধে ‘মিথ্যাচার’ ও ‘শপথ ভঙ্গ’-এর অভিযোগ তুলে পদত্যাগ দাবি করেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও শুরু হয় তীব্র সমালোচনা। পরে বঙ্গভবন থেকে বিষয়টি নিয়ে নতুন বিতর্ক না করার আহ্বান জানানো হলেও রাষ্ট্রপতি হিসেবে তার নৈতিক গ্রহণযোগ্যতা উল্লেখযোগ্যভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

রাষ্ট্রপতি হওয়ার আগেও মো. সাহাবুদ্দিনকে ঘিরে বিভিন্ন বিতর্ক ছিল। দুর্নীতি দমন কমিশনের কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন এবং পরে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেডের পরিচালনা পর্ষদের ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন নিয়ে নানা প্রশ্ন ওঠে।

দুদক আইনে অবসরের পর কমিশনারদের প্রজাতন্ত্রের লাভজনক পদে নিয়োগের বিধিনিষেধ থাকায় তাকে রাষ্ট্রপতি করার পর আইনি বিতর্ক তৈরি হয়। যদিও ২০২৩ সালের মার্চে হাইকোর্ট এ-সংক্রান্ত রিট খারিজ করে দেন।

এ ছাড়া বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের (বিএফআইইউ) এক তদন্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, ২০১৭ সালে তিনি জেএমসি বিল্ডার্সের প্রতিনিধি হিসেবে ইসলামী ব্যাংকের পরিচালক হন, যা বিতর্কিত এস আলম গ্রুপের ব্যাংক নিয়ন্ত্রণ গ্রহণের প্রক্রিয়ার সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিল বলে অভিযোগ রয়েছে। এ-সংক্রান্ত মামলা এখনও হাইকোর্টে বিচারাধীন। পরিবর্তিত রাজনৈতিক বাস্তবতায় এসব অভিযোগও তার ওপর চাপ বাড়িয়েছে বলে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা রয়েছে।

সাম্প্রতিক সময়ে বিএনপি সরকারের সঙ্গে তার সম্পর্ক কিছুটা স্বাভাবিক হওয়ার ইঙ্গিত পাওয়া গেলেও শেখ হাসিনার সঙ্গে ফোনালাপের খবর প্রকাশের পর পরিস্থিতি দ্রুত পাল্টে যায়। বিএনপির একাধিক জ্যেষ্ঠ নেতার সঙ্গে আলোচনা শুরু হয় তার পদত্যাগ নিয়ে। সংশ্লিষ্টদের দাবি, তিনি একটি ‘বিঘ্নহীন প্রস্থান’ নিশ্চিত করতে চেয়েছিলেন।

এ আলোচনার অংশ হিসেবে দেশে অবস্থানকালে অবাধ চলাচল এবং চিকিৎসার প্রয়োজনে বিদেশে যাওয়ার সুযোগ নিশ্চিত করার বিষয়েও সমঝোতা হয় বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি। পদত্যাগের পর তিনি নিজেও জানিয়েছেন, আগামী ১০ থেকে ১২ দিনের মধ্যে চিকিৎসার জন্য বিদেশে যাবেন। ইতোমধ্যে গুলশান-১-এর গ্রিন ভিলায় তার জন্য একটি ফ্ল্যাটও প্রস্তুত করা হয়েছে।

তবে বিএনপি একটি বিষয়ে কঠোর অবস্থান নেয়। সংবিধানের ৫১ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি থাকাকালে সাংবিধানিক দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে যে আইনি সুরক্ষা রয়েছে, তা বহাল থাকলেও রাষ্ট্রপতি হওয়ার আগে ওঠা অভিযোগ—বিশেষ করে এস আলম গ্রুপ ও ইসলামী ব্যাংক-সংক্রান্ত বিষয়—সরকার বা বিএনপি কোনোভাবেই বহন করবে না। আইনমন্ত্রী আসাদুজ্জামানও জানিয়েছেন, অতীতের অভিযোগ বা মামলা থাকলে তা প্রচলিত আইন অনুযায়ী তদন্ত ও বিচার প্রক্রিয়ায় নিষ্পত্তি হবে।

রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের পর জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-সহ কয়েকটি রাজনৈতিক সংগঠন তাকে গ্রেপ্তার করে বিচারের আওতায় আনার দাবি তোলে। তাদের অভিযোগ, তিনি পতিত আওয়ামী লীগ সরকারের একজন সহযোগী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

এ সময় নতুন করে আলোচনায় আসে সংবিধানের ৫১ অনুচ্ছেদ। আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালনকালীন সাংবিধানিক সুরক্ষা দায়িত্ব শেষ হওয়ার পর আর কার্যকর থাকে না। ফলে রাষ্ট্রপতি হওয়ার আগে সংঘটিত কোনো কর্মকাণ্ড নিয়ে অভিযোগ বা মামলা থাকলে তা প্রচলিত আইন অনুযায়ী তদন্ত ও বিচার হতে পারে। বিশেষ করে ইসলামী ব্যাংক ও এস আলম গ্রুপ-সংক্রান্ত অভিযোগ প্রমাণিত হলে সংবিধানের ৫১ অনুচ্ছেদ তাকে সুরক্ষা দেবে না বলেই তাদের মত।

সংবিধানের ১২৩(২) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে ৯০ দিনের মধ্যে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করতে হবে। জাতীয় সংসদে বিএনপির সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকায় দলটির মনোনীত প্রার্থীই পরবর্তী রাষ্ট্রপতি হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন।

পাবনা জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি থেকে দুর্নীতি দমন কমিশনের কমিশনার, এরপর ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেডের ভাইস চেয়ারম্যান এবং সবশেষে দেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি—মো. সাহাবুদ্দিনের রাজনৈতিক ও পেশাগত পথচলা ছিল নানা আলোচনায় ঘেরা। ২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারিতে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের তার নাম রাষ্ট্রপতি পদে ঘোষণা করলে দলটির অনেক নেতাও বিস্ময় প্রকাশ করেছিলেন।

আওয়ামী লীগের সমর্থনে রাষ্ট্রপতি হলেও দায়িত্ব পালন করতে হয়েছে সম্পূর্ণ ভিন্ন রাজনৈতিক বাস্তবতায়। গণঅভ্যুত্থান, অন্তর্বর্তী সরকারের দায়িত্ব গ্রহণ এবং পরে বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকারের শপথ—সব মিলিয়ে তিনি বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের এক অস্থির সময়ের রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তবে শেষ পর্যন্ত শারীরিক অসুস্থতার পাশাপাশি রাজনৈতিক চাপ, বিতর্ক, আস্থার সংকট ও গ্রহণযোগ্যতার প্রশ্নই তার মেয়াদ পূর্ণ হওয়ার আগেই বঙ্গভবন ছাড়ার প্রধান কারণ হিসেবে রাজনৈতিক অঙ্গনে সবচেয়ে বেশি আলোচিত হচ্ছে।

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

বঞ্চনা ও বিডিআর ট্র্যাজেডিই জুলাই অভ্যুত্থানের ভিত্তি: শামছু

1

সেমিকন্ডাক্টর খাতের বিকাশে টাস্কফোর্স গঠন, সদস্য ১৩ জন

2

কাশিমপুর কারাগার থেকে নারী বন্দির পলায়ন: জেলার বরখাস্ত, সুপা

3

কাতারে বাংলাদেশ প্রেস ক্লাবের নতুন সভাপতি শামীম সম্পাদক সালা

4

হামাস জিম্মিদের তালিকা না দেওয়া পর্যন্ত যুদ্ধবিরতি কার্যকর হ

5

নবম পে স্কেল কার্যকরের পথে, চূড়ান্ত অনুমোদনের অপেক্ষা

6

পীরগঞ্জে ১৭ পিস ইয়াবাসহ সুমন আলী গ্রেপ্তার

7

কাগজের প্লেনে বিশ্বজয়, গড়ল নতুন গিনেস রেক

8

আরও ১৪ সাংবাদিকের ব্যাংক হিসাবের তথ্য তলব

9

এপ্রিল পর্যন্ত বিদ্যুৎ সঞ্চালন লস ৩.২৭ শতাংশ: জ্বালানিমন্ত্র

10

সাংবাদিক মাহবুব আলম লাবলুকে হয়রানির নিন্দায় ডিআরইউ

11

চরমপন্থা প্রতিরোধে ইসলামের প্রকৃত শিক্ষার ওপর গুরুত্বারোপ

12

তদন্ত ছাড়াই গ্রেপ্তারের অভিযোগ, থানার ফেসবুক পোস্টে সাংবাদিক

13

বিজিবির অভিযানে উদ্ধার, বাজারমূল্য প্রায় ২ লাখ ৪০ হাজার টাকা

14

তেঁতুলিয়ায় জনসেবায় আলোচনায় চেয়ারম্যান প্রার্থী দুলাল হোসেন (

15

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ‘গোপন রাজনীতি’ নিষিদ্ধের দাবি জানাল ছাত্রদ

16

সাজু স্যারকে ঘিরে বিতর্ক: অভিযোগভিত্তিক সংবাদ প্রকাশের ব্যাখ

17

জুলাই অভ্যুত্থান স্মরণে প্রথম প্রহরে ছাত্রদলের মোমবাতি প্রজ্

18

বৈশ্বিক অপরাধ মোকাবিলায় সমন্বিত নিরাপত্তা কাঠামো গড়তে চায়

19

বিনিয়োগ, জ্বালানি ও বাণিজ্যে তিন নতুন নীতিমালার অনুমোদন

20