অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ : Oct 27, 2026 ইং
অনলাইন সংস্করণ

ইসরায়েলের নির্বাচনে রেকর্ড ভোটার উপস্থিতি, কঠিন চ্যালেঞ্জে নেতানিয়াহু

ইসরায়েলের গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচনে চার দশকেরও বেশি সময়ের মধ্যে সর্বোচ্চ ভোটার উপস্থিতি দেখা গেছে। প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ও সাবেক সামরিক প্রধান গাদি আইজেনকোটের মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের আভাস মিললেও কোনো পক্ষই এককভাবে সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় ৬১টি আসন পাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে না।শিরোনাম:


ইসরায়েলের ইতিহাসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বিবেচিত নির্বাচনে রেকর্ডসংখ্যক ভোটারের অংশগ্রহণ রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে আরও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ করে তুলেছে। শুক্রবার প্রকাশিত জনমত জরিপে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ও সাবেক সামরিক প্রধান গাদি আইজেনকোটের মধ্যে ব্যবধান খুবই কম বলে উঠে এসেছে।

তবে কোনো পক্ষই সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় ৬১টি আসন পাবে বলে মনে করা হচ্ছে না। ফলে নির্বাচনের পর নতুন সরকার গঠন নিয়ে কয়েক সপ্তাহ, এমনকি কয়েক মাস পর্যন্ত রাজনৈতিক দর-কষাকষি চলতে পারে।

গণতন্ত্র ও জাতীয় নিরাপত্তা এবারের নির্বাচনী প্রচারের প্রধান বিষয়। একই সঙ্গে নেতানিয়াহুর দীর্ঘ শাসনামল নিয়ে জনমতের প্রতিফলন হিসেবেও নির্বাচনটিকে দেখা হচ্ছে।

মঙ্গলবার সকালে দেশটির বিভিন্ন ভোটকেন্দ্রে অনিয়মের অভিযোগ তোলে কয়েকটি প্রধান রাজনৈতিক দল। তবে ইসরায়েলের কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিটি জানিয়েছে, ব্যালট পেপারে পরিকল্পিত কারসাজির কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

ইসরায়েলের আনুপাতিক প্রতিনিধিত্বভিত্তিক নির্বাচনী ব্যবস্থায় সরকার গঠনের জন্য রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে জোট অপরিহার্য। অতীতেও সরকার গঠনের প্রতিযোগিতায় অপ্রত্যাশিত জোট তৈরি হয়েছে। তবে এবারের নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা তীব্র হওয়ার পাশাপাশি বিভিন্ন বিষয়ে দলগুলোর কঠোর অবস্থান পরিস্থিতিকে জটিল করে তুলেছে।

গত বছর গঠিত ইয়াশার পার্টির নেতা গাদি আইজেনকোট নেতানিয়াহুবিরোধী ‘পরিবর্তনপন্থি জোটের’ প্রধান মুখ। আদর্শগত মতপার্থক্য থাকা সত্ত্বেও নেতানিয়াহুকে ক্ষমতা থেকে সরানোর লক্ষ্য নিয়ে এ জোটের দলগুলো একত্র হয়েছে।

জোটের অন্য নেতাদের মধ্যে রয়েছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী নাফতালি বেনেট, আভিগদর লিবারম্যান এবং বামঘেঁষা সাবেক জেনারেল ইয়ার গোলান। বেনেট ও লিবারম্যান ডানপন্থি রাজনীতির অনুসারী এবং নিরাপত্তার বিষয়ে কঠোর অবস্থানের জন্য পরিচিত।

১৯৯৬ সালে প্রথমবার প্রধানমন্ত্রী হওয়া নেতানিয়াহুকে আবার ক্ষমতায় ফিরতে হলে বর্তমান সরকারের শরিক অতি ডানপন্থি ও অতি-অর্থোডক্স ইহুদি দলগুলোর সঙ্গে জোট ধরে রাখতে হবে। তাঁর বর্তমান সরকারকে ইসরায়েলের ইতিহাসে সবচেয়ে ডানপন্থি সরকার হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

নির্বাচনে আরবদের দুটি রাজনৈতিক জোটও অংশ নিচ্ছে। ইসরায়েলের মোট জনসংখ্যার প্রায় এক-পঞ্চমাংশ আরব। তাঁদের অনেকে নিজেদের ফিলিস্তিনি ইসরায়েলি নাগরিক হিসেবে পরিচয় দেন। তাত্ত্বিকভাবে সরকার গঠনে তাঁদের ভূমিকা নির্ধারক হতে পারে। তবে প্রধান ইহুদি দলগুলোর মধ্যে একটি ছাড়া অন্যরা আরব দলগুলোর সঙ্গে কাজ করার সম্ভাবনা নাকচ করেছে।

নিরাপত্তা ও গণতন্ত্র নিয়ে বিতর্ক

নিরাপত্তা এবারের নির্বাচনের অন্যতম প্রধান ইস্যু। ৭ অক্টোবর হামাসের নেতৃত্বে ইসরায়েলে চালানো হামলার আগে নজিরবিহীন নিরাপত্তা ব্যর্থতার জন্য বিরোধী জোট নেতানিয়াহুকে দায়ী করছে। ওই হামলায় প্রায় ১ হাজার ২০০ জন নিহত হন এবং ২৫১ জনকে জিম্মি করে গাজায় নিয়ে যাওয়া হয়।

ওই হামলার ঘটনা তদন্তে স্বাধীন কমিশন গঠনের দাবি জানিয়েছে বিরোধীরা। তবে নেতানিয়াহু দীর্ঘদিন ধরে এ উদ্যোগের বিরোধিতা করে আসছেন। তাঁর দাবি, কমিশন তাঁর বিরুদ্ধে পক্ষপাতমূলক অবস্থান নিতে পারে।

নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে চলমান দুর্নীতির বিচার এবং বিচারব্যবস্থায় বিতর্কিত সংস্কার পরিকল্পনাও নির্বাচনী আলোচনায় গুরুত্ব পেয়েছে। বিরোধীদের মতে, এসব সংস্কার গণতন্ত্রের জন্য হুমকি। ৭ অক্টোবরের হামলার আগে সংস্কার পরিকল্পনার বিরুদ্ধে ইসরায়েলে ব্যাপক বিক্ষোভ হয়েছিল। তবে নেতানিয়াহু তাঁর বিরুদ্ধে আনা দুর্নীতির অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

সমালোচনার জবাবে নেতানিয়াহু নিজেকে দেশের নিরাপত্তার নিশ্চয়তা হিসেবে তুলে ধরছেন। মধ্যপ্রাচ্যে বিভিন্ন সংঘাতে ইসরায়েলের কৌশলগত সাফল্য এবং যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ককে নিজের পক্ষে যুক্তি হিসেবে ব্যবহার করছেন তিনি।

রোববার ইসরায়েলের চ্যানেল ১২-এর প্রতিবেদনে বলা হয়, নির্বাচনের আগে ইরানের সঙ্গে সংঘাতের সূত্রপাত ঘটাতে পারে—এমন একটি সামরিক অভিযানের পক্ষে চাপ দিয়েছিলেন নেতানিয়াহু। তবে তাঁর সামরিক প্রধান ইয়াল জামির এর বিরোধিতা করেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।

পরদিন সিএনএন জানায়, ইরানে নতুন করে হামলা চালানোর বিষয়ে ট্রাম্পকে রাজি করানোর চেষ্টা করেছিলেন নেতানিয়াহু। তবে ট্রাম্প তাতে অনুমতি দেননি বলে প্রতিবেদনে বলা হয়। নেতানিয়াহু উভয় প্রতিবেদনই অস্বীকার করেছেন।

নির্বাচনী প্রচারের শেষ দিকে তেল আবিবে পারমাণবিক বোমা আঘাত হানার কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দিয়ে তৈরি একটি ছবি প্রকাশ করেও আলোচনায় আসেন নেতানিয়াহু। ইরান পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন করলে ইসরায়েলকে রক্ষা করতে পারবেন—এমন একমাত্র নেতা হিসেবে নিজেকে তুলে ধরেন তিনি। এর জবাবে আইজেনকোট নেতানিয়াহুকে ‘হিস্টিরিয়াগ্রস্ত’ বলে মন্তব্য করেন।

সামরিক নিয়োগ নিয়ে বিরোধ

অতি-অর্থোডক্স ইহুদি পুরুষদের সামরিক বাহিনীতে নিয়োগের বিষয়টিও নির্বাচনের গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু হয়ে উঠেছে। পূর্ণকালীন ধর্মীয় শিক্ষায় নিয়োজিত এসব পুরুষকে সেনাবাহিনীতে নিয়োগ দিতে সুপ্রিম কোর্টের রায় কার্যকর করতে পারেনি নেতানিয়াহুর সরকার।

সাম্প্রতিক যুদ্ধগুলোতে হাজার হাজার ইসরায়েলিকে সামরিক দায়িত্ব পালন করতে হলেও অতি-অর্থোডক্সদের নিয়োগ নিয়ে বিরোধ তীব্র হয়েছে। নেতানিয়াহুর জোটের অন্তর্ভুক্ত দুটি অতি-অর্থোডক্স দল সামরিক নিয়োগের বিরুদ্ধে বিক্ষোভে সমর্থন জানিয়েছে।

গাজা ইস্যুতে আইজেনকোটের অবস্থানও নেতানিয়াহুর সঙ্গে অনেকটা সামঞ্জস্যপূর্ণ। তিনি ১৮ মাসের মধ্যে গাজায় হামাসের শাসনের অবসান ঘটানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন শান্তি পরিকল্পনার মাধ্যমে তা সম্ভব না হলে সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার কথাও বলেছেন তিনি।

গত বছর যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হওয়ার পরও ইসরায়েল প্রায় প্রতিদিন গাজায় হামলা চালিয়ে যাচ্ছে। ইসরায়েলের দাবি, এসব হামলায় হামাসের সদস্যদের লক্ষ্যবস্তু করা হচ্ছে। অন্যদিকে, গাজার হামাস-নিয়ন্ত্রিত স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের হিসাবে, যুদ্ধ শুরুর পর থেকে ইসরায়েলি হামলায় ৭৪ হাজারের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন। জাতিসংঘ এ পরিসংখ্যানকে নির্ভরযোগ্য বলে বিবেচনা করে।

গাজায় ইসরায়েলের সামরিক কর্মকাণ্ড নিয়ে আন্তর্জাতিক সমালোচনা বেড়েছে। এর ফলে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মিত্রদের সঙ্গে ইসরায়েলের সম্পর্কের অবনতিও ঘটেছে।

অধিকৃত পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি বসতি স্থাপনের বিষয়েও আইজেনকোট মোটামুটি সমর্থনমূলক অবস্থানে রয়েছেন। আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী এসব বসতি অবৈধ। তবে জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, ইহুদি উগ্রপন্থি বসতি স্থাপনকারীদের হামলা সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছানোয় তাঁদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার পক্ষে আইজেনকোট।

ফিলিস্তিনিদের জন্য ‘স্বায়ত্তশাসন বা সীমিত রাষ্ট্র’ প্রতিষ্ঠার পরিবেশ তৈরির কথাও বলেছেন তিনি। তবে এ ধরনের ব্যবস্থায় চূড়ান্ত নিরাপত্তা নিয়ন্ত্রণ ইসরায়েলের হাতে থাকবে বলে জানিয়েছেন।

ইসরায়েলের পাশাপাশি শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানে একটি স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে দ্বিরাষ্ট্রভিত্তিক সমাধান এখন দেশটির মূলধারার রাজনীতিতে প্রায় অনুপস্থিত।

আইজেনকোটের নেতৃত্বে সংখ্যালঘু সরকারকে আরব দলগুলো অনানুষ্ঠানিকভাবে সমর্থন দিতে পারে বলে আলোচনা রয়েছে। তবে সম্ভাব্য গুরুত্বপূর্ণ শরিক লিবারম্যান এ ধরনের ব্যবস্থায় অংশ নেওয়ার সম্ভাবনা নাকচ করেছেন।

দলগুলোর অনড় অবস্থানের কারণে সরকার গঠনের হিসাব আরও জটিল হয়ে উঠেছে। নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে কী ধরনের সমঝোতা, চুক্তি বা অবস্থান পরিবর্তন হয়, সেটিই এখন দেখার বিষয়।

নির্বাচনের ফল জানতে অপেক্ষা

বিদেশে অবস্থানরত প্রায় ৭০ হাজার ইসরায়েলি ভোট দিতে দেশে ফিরেছেন বলে জানা গেছে। এ ছাড়া কয়েক লাখ ভোটার এবার প্রথমবারের মতো ভোট দিচ্ছেন।

মঙ্গলবার স্থানীয় সময় রাত ১০টায়, বাংলাদেশ সময় বুধবার রাত ১টায়, ইসরায়েলি সম্প্রচারমাধ্যমগুলো বুথফেরত জরিপের ফল প্রকাশ করবে। এসব জরিপ থেকে নির্বাচনের সম্ভাব্য ফল সম্পর্কে ধারণা পাওয়া গেলেও চূড়ান্ত ফলের সঙ্গে উল্লেখযোগ্য পার্থক্য থাকতে পারে।

নির্বাচনের ফল পর্যবেক্ষণে দেশজুড়ে বিভিন্ন স্থানে জড়ো হবেন ইসরায়েলিরা। নেতানিয়াহুর লিকুদ পার্টি জেরুজালেমে এবং গত বছর গঠিত আইজেনকোটের ইয়াশার পার্টি তেল আবিবে ফলাফল পর্যবেক্ষণের আয়োজন করেছে।

ইসরায়েলের কয়েক লাখ সেনা ও রিজার্ভ সদস্যও নির্বাচনে ভোট দেবেন। তবে তাঁদের অনেকের ভোট গণনা বুধবারের আগে শুরু হবে না। এসব ভোট ডানপন্থি দলগুলোর পক্ষে শেষ মুহূর্তে সুবিধা তৈরি করতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট ভোটারদের মধ্যে ডানপন্থিদের সমর্থন বেশি বলে মনে করা হয়।

নির্বাচনটি মূলত নেতানিয়াহু ও আইজেনকোটের লড়াই হিসেবে বিবেচিত হলেও অন্য কোনো নেতারও প্রধানমন্ত্রী হওয়ার সুযোগ রয়েছে। কোনো নেতা জোট গঠনে সমর্থন দেওয়ার বিনিময়ে প্রধানমন্ত্রীর পদ দাবি করলে এমন পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে।

সবচেয়ে বড় উদ্বেগের বিষয় হলো রাজনৈতিক অচলাবস্থা। কোনো জোট সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করতে না পারলে এবং সংখ্যালঘু সরকার গঠনও সম্ভব না হলে নতুন নির্বাচন আয়োজন করতে হতে পারে। সে ক্ষেত্রে অন্তর্বর্তী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন নেতানিয়াহু।

২০১৯ থেকে ২০২২ সালের মধ্যে রাজনৈতিক দলগুলো বারবার সমঝোতায় ব্যর্থ হওয়ায় ইসরায়েলে পাঁচবার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল।




মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

প্রেস অ্যাক্রিডিটেশন নীতিমালা পুনর্মূল্যায়নে ১৭ সদস্যের কমিট

1

ইস্তাম্বুলে যাত্রাবিরতি শেষে নিউইয়র্কের পথে প্রধানমন্ত্রী

2

ফুলবাড়ীতে বৃত্তিপ্রাপ্ত কৃতী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা

3

দর্শনার্থীশূন্য ফল মেলা, প্রশ্নে আয়োজনের কার্যকারিতা

4

হিমালয়ের বিপর্যয়, সমতলেরও শঙ্কা

5

সাড়ে ১২ হাজার কোটি টাকার জ্বালানি তেল কিনছে সরকার

6

পুলিসিক ছাড়াই দাপুটে যুক্তরাষ্ট্র, প্রথমার্ধেই অস্ট্রেলিয়াকে

7

পাকিস্তানে ট্রাফিক পুলিশের গাড়িতে হামলা, নিহত ৩

8

নেত্রকোনায় সাংবাদিককে প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ, থানায় লিখিত

9

প্রাথমিক শিক্ষকদের নজরদারিতে ১১ ধাপের পরিদর্শন ব্যবস্থা চালু

10

খুলনা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে আগুন, ক্ষতিগ্রস্ত বৈদ্যুতিক স

11

ফকিরগঞ্জ বাজারে শতবর্ষী মৃত শিমুল গাছ, ঝুঁকিতে পথচারী-শিক্ষা

12

ভুয়া রপ্তানির চেষ্টা, ভ্যালমন্ট ফ্যাশনসের ৫ চালান আটক

13

পীরগঞ্জে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস উদযাপন

14

রেমিট্যান্সে ঢাকার দাপট, সবচেয়ে পিছিয়ে রংপুর

15

কেন মেয়াদ শেষের আগেই পদ ছাড়লেন রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন

16

এবিজি ইউনিভার্সিটি কাপ ঘিরে ১০ বিশ্ববিদ্যালয়ের সমর্থকদের ভোট

17

অনিয়মের অভিযোগে প্রত্যাহার শ্রেষ্ঠ ওসি শফিকুল

18

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে জিয়া-খালেদার সমাধিতে তারেক রহমানের শ্রদ্

19

চরমপন্থা প্রতিরোধে ইসলামের প্রকৃত শিক্ষার ওপর গুরুত্বারোপ

20