ইনস্টিটিউশন অব ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশ (আইইবি) নির্বাচন ২০২৭-২০২৮ সামনে রেখে সাংগঠনিক সিদ্ধান্ত অমান্য ও শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগে এসোসিয়েশন অব ইঞ্জিনিয়ার্স বাংলাদেশ (এ্যাব)-এর ৯ সদস্যকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে। একই অভিযোগে আরও ৬ জনকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে।
আসন্ন ইনস্টিটিউশন অব ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশ (আইইবি) নির্বাচন ২০২৭-২০২৮ উপলক্ষে সংগঠনের সিদ্ধান্ত ও অনুমোদিত প্রার্থী মনোনয়ন অমান্য করার অভিযোগে এসোসিয়েশন অব ইঞ্জিনিয়ার্স বাংলাদেশ (এ্যাব)-এর ৯ সদস্যকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে। পাশাপাশি আরও ৬ সদস্যকে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দেওয়া হয়েছে।
সংগঠনের গঠনতন্ত্রের ১৩.২ ধারা লঙ্ঘনের অভিযোগে এ্যাবের আহ্বায়ক প্রকৌশলী শাহরিন ইসলাম তুহিন স্বাক্ষরিত পৃথক আদেশে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
স্থায়ীভাবে বহিষ্কৃত ব্যক্তিরা হলেন—প্রকৌশলী সৈয়দ মাহফুজ আহমেদ, পিইঞ্জ (উপদেষ্টা, আহ্বায়ক কমিটি), প্রকৌশলী এ টি এম তানবির-উল-হাসান তমাল, প্রকৌশলী বিজু বড়ুয়া, প্রকৌশলী আব্দুল্লাহ আল মামুন, প্রকৌশলী মুহাম্মদ আহসানুল রাসেল, প্রকৌশলী সাব্বির আহমেদ ওসমানী, প্রকৌশলী মো. কামরুল হাসান উজ্জ্বল (আহ্বায়ক কমিটির সদস্য), প্রকৌশলী মোতাহার হোসেন ও প্রকৌশলী কাজী ইয়াকুব সিরাজউদ্দৌলা (সাধারণ সদস্য)।
সংগঠন সূত্রে জানা গেছে, বহিষ্কৃত সদস্যদের আগে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছিল। তবে তাঁদের লিখিত জবাব অসন্তোষজনক ও অপর্যাপ্ত বিবেচিত হওয়ায় স্থায়ী বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এ সিদ্ধান্তের ফলে সংগঠনে তাঁদের সব পদ ও সাধারণ সদস্যপদ বাতিল হয়েছে। একই সঙ্গে তাঁরা এ্যাবের নাম, পদবি কিংবা পরিচয় ব্যবহার করতে পারবেন না।
অন্যদিকে, সংগঠনের সিদ্ধান্ত ও অনুমোদিত প্যানেল অমান্য করে প্রার্থীর বিরুদ্ধে প্রতিদ্বন্দ্বিতা এবং মনোনয়নপত্র দাখিলের অভিযোগে সাতজন সাধারণ সদস্যকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। তাঁরা হলেন—প্রকৌশলী মো. জহুরুল ইসলাম জনি, প্রকৌশলী মুহাম্মদ আবু হোসেন হিটলু, প্রকৌশলী মো. আরাফাত রহমান রাকু, প্রকৌশলী মো. মেসবাহুল ইসলাম বরাত, প্রকৌশলী মোহাম্মদ মুনতাসির মামুন, প্রকৌশলী মো. শহীদুজ্জামান ও প্রকৌশলী মুহাম্মদ সাইদুল ইসলাম।
নোটিশে প্রথম চারজনকে দুই কর্মদিবসের মধ্যে এবং পরের তিনজনকে তিন কর্মদিবসের মধ্যে লিখিত জবাব দিতে বলা হয়েছে। চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত তাঁদের এ্যাবের সাধারণ সদস্যপদ সাময়িকভাবে স্থগিত থাকবে।
সংগঠনের সাংগঠনিক ঐক্য, শৃঙ্খলা ও গঠনতান্ত্রিক মর্যাদা বজায় রাখার স্বার্থে এসব ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।