অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ : Oct 31, 2026 ইং
অনলাইন সংস্করণ

শিক্ষার বাণিজ্যিকীকরণ রোধে কার্যকর পদক্ষেপ জরুরি: লায়ন মো. গনি মিয়া বাবুল

 শিক্ষার ব্যয় বৃদ্ধি, কোচিং-প্রাইভেট টিউশনের ওপর নির্ভরতা এবং বিভিন্ন খাতে অতিরিক্ত ফি আদায়ের কারণে অনেক পরিবারের ওপর আর্থিক চাপ তৈরি হচ্ছে। শিক্ষার সুযোগে বৈষম্য কমাতে ফি-সংক্রান্ত স্বচ্ছতা, শ্রেণিকক্ষে পাঠদানের মানোন্নয়ন, দরিদ্র শিক্ষার্থীদের সহায়তা ও কার্যকর তদারকি নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন লায়ন মো. গনি মিয়া বাবুল।



শিক্ষা মানুষের মৌলিক অধিকার, সামাজিক অগ্রগতির ভিত্তি এবং দেশের ভবিষ্যৎ নির্মাণের অন্যতম প্রধান উপায়। শিক্ষার লক্ষ্য শুধু পরীক্ষায় ভালো ফল বা সনদ অর্জন নয়; বরং জ্ঞান, দক্ষতা, বিচারবুদ্ধি ও মানবিক মূল্যবোধের বিকাশ। কিন্তু মানসম্মত শিক্ষা পাওয়ার সুযোগ যখন পরিবারের আর্থিক সামর্থ্যের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ে, তখন শিক্ষার অধিকার পণ্যে পরিণত হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়। বাংলাদেশে বিদ্যালয়ের ফি, কোচিং, প্রাইভেট টিউশন, গাইডবই, নোট ও মডেল টেস্টসহ বিভিন্ন খরচ অনেক পরিবারের ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি করছে।

শিক্ষার বাণিজ্যিকীকরণ বলতে সব বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বা অর্থের বিনিময়ে দেওয়া প্রতিটি শিক্ষাসেবাকে বোঝায় না। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিচালনায় ব্যয় রয়েছে এবং বেসরকারি প্রতিষ্ঠানও শিক্ষা খাতে ভূমিকা রাখতে পারে। তবে শিক্ষার্থীর শেখার চেয়ে আয় বাড়ানো যখন মুখ্য হয়ে ওঠে, ফি ও সেবার হিসাব অস্পষ্ট থাকে কিংবা ভালোভাবে শিখতে হলে নিয়মিত পাঠের বাইরেও বারবার অর্থ ব্যয় করতে হয়, তখনই সমস্যা তৈরি হয়।

একটি পরিবার বিদ্যালয়ের ফি দেওয়ার পরও কোচিং, টিউশন, নোট ও মডেল টেস্টের পেছনে বড় অঙ্কের অর্থ ব্যয় করতে বাধ্য হলে বিদ্যালয়ের পাঠদান নিয়ে প্রশ্ন ওঠা স্বাভাবিক।

পরিবারের শিক্ষাব্যয়ের চাপ নিয়ে ক্যাম্পের এডুকেশন ওয়াচ ২০২৩ প্রতিবেদনে উদ্বেগজনক তথ্য উঠে এসেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০২২ সালে প্রাথমিক স্তরের একজন শিক্ষার্থীর জন্য পরিবারের গড় বার্ষিক ব্যয় ছিল ১৩ হাজার ৮৮২ টাকা। এর মধ্যে প্রাইভেট টিউশন ও কোচিংয়ের পেছনে গড় ব্যয় ছিল ৭ হাজার ৮৬৮ টাকা। গবেষণায় আরও বলা হয়, ২০২৩ সালের প্রথম ছয় মাসে আগের তুলনামূলক সময়ের চেয়ে প্রাথমিক স্তরে শিক্ষাব্যয় ২৫ শতাংশ এবং মাধ্যমিক স্তরে ৫১ শতাংশ বেড়েছিল। এগুলো নির্দিষ্ট সময়ের জরিপের ফল হলেও বিদ্যালয়ের বাইরের পড়াশোনার খরচ যে পরিবারের মোট শিক্ষাব্যয়ে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখে, তা স্পষ্ট করে।

কোচিং বা প্রাইভেট টিউশন সব ক্ষেত্রে অপ্রয়োজনীয় নয়। কোনো শিক্ষার্থী নির্দিষ্ট বিষয়ে পিছিয়ে পড়লে অতিরিক্ত সহায়তা তার কাজে আসতে পারে। কিন্তু শ্রেণিকক্ষের পাঠ বুঝতে না পারা এবং ভালো ফলের জন্য কোচিং প্রায় অপরিহার্য হয়ে ওঠা শিক্ষাব্যবস্থার দুর্বলতার ইঙ্গিত দেয়। সচ্ছল পরিবারের শিক্ষার্থীরা একাধিক শিক্ষক বা কোচিংয়ের সহায়তা নিতে পারলেও নিম্নআয়ের পরিবারের পক্ষে তা সম্ভব হয় না। ফলে একই শ্রেণিতে পড়া শিক্ষার্থীদের প্রস্তুতির সুযোগেও বৈষম্য তৈরি হয়।

পরীক্ষাকেন্দ্রিক শিক্ষাব্যবস্থা এ প্রবণতাকে আরও বাড়িয়ে দেয়। যখন শিক্ষার সাফল্য মূলত নম্বর দিয়ে মূল্যায়ন করা হয়, তখন শিক্ষার্থীরা বিষয় বোঝা বা বাস্তবে প্রয়োগ করার চেয়ে পরীক্ষায় আসতে পারে এমন বিষয় মুখস্থ করতে বেশি গুরুত্ব দেয়। গাইডবই, সাজেশন ও মডেল টেস্ট তখন সহায়ক উপকরণের বদলে পরীক্ষায় ভালো করার প্রধান অবলম্বনে পরিণত হয়। কিছু কোচিং প্রতিষ্ঠানও ‘ভালো ফলের নিশ্চয়তা’ বা ‘বিশেষ প্রস্তুতি’র মতো প্রচারণার মাধ্যমে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের আকৃষ্ট করে। এ পরিস্থিতি পরিবর্তনে পরীক্ষায় মুখস্থনির্ভরতার পরিবর্তে বোঝাপড়া, বিশ্লেষণ ও সমস্যা সমাধানের দক্ষতা যাচাই করা প্রয়োজন।

শিক্ষার বাণিজ্যিকীকরণ শুধু কোচিংয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। ভর্তি ও পুনঃভর্তি, উন্নয়ন, পরীক্ষা, পরিচয়পত্র, পরিবহন এবং বিভিন্ন কার্যক্রমের নামে নেওয়া অর্থের কারণ স্পষ্ট না হলে অভিভাবকেরা বুঝতে পারেন না কোন সেবার জন্য কত টাকা ব্যয় করছেন। প্রতিষ্ঠান পরিচালনায় খরচ থাকা স্বাভাবিক হলেও ফি ও সেবার বিবরণ আগে থেকেই প্রকাশ করা এবং অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের যৌক্তিকতা ব্যাখ্যা করা জরুরি।

শ্রেণিকক্ষের পাঠদান দুর্বল রেখে বাইরের টিউশনের ওপর নির্ভরতা তৈরি হলে স্বার্থের সংঘাতের আশঙ্কা থাকে। তবে প্রমাণ ছাড়া সব শিক্ষককে দায়ী করা ঠিক নয়। এ ধরনের অভিযোগ নিরপেক্ষভাবে তদন্ত এবং শিক্ষার্থী-অভিভাবকদের অভিযোগ জানানোর নিরাপদ ব্যবস্থা থাকা প্রয়োজন।

ইউনিসেফের ২০২৪ সালের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রাথমিক শিক্ষা শেষ করার পর বাংলাদেশের প্রায় অর্ধেক শিশু নিজের শ্রেণির উপযোগী লেখা পড়তে পারে না এবং প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ শিশু মৌলিক গণনায় সমস্যায় পড়ে। এ তথ্য থেকে বোঝা যায়, বিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়া বা এক শ্রেণি থেকে অন্য শ্রেণিতে উত্তীর্ণ হওয়াই প্রত্যাশিত শিক্ষার নিশ্চয়তা নয়। শ্রেণিকক্ষে শেখার ঘাটতি থাকলে পরিবার নিজ উদ্যোগে কোচিং বা প্রাইভেট টিউশনের ব্যবস্থা করে, যা বাড়তি ব্যয়ের কারণ হয়। তাই শিক্ষার বাণিজ্যিক চাপ কমাতে বিদ্যালয়ের ভেতরেই পাঠদানের মান বাড়ানো জরুরি।

শিক্ষাব্যয়ের প্রভাব সব পরিবারের ওপর সমানভাবে পড়ে না। শহর ও গ্রামের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষক, পাঠাগার, বিজ্ঞানাগার, প্রযুক্তি ও সহায়ক শিক্ষার সুযোগে পার্থক্য রয়েছে। সচ্ছল পরিবার বিদ্যালয়ের ঘাটতি পূরণে কোচিং, টিউশন ও প্রয়োজনীয় উপকরণ কিনতে পারলেও নিম্নআয়ের পরিবার অনেক ক্ষেত্রে তা পারে না। এতে শিক্ষার সুযোগে বিদ্যমান বৈষম্য আরও বাড়তে পারে।

ইউনিসেফের ২০২৫ সালের বহু-সূচক গুচ্ছ জরিপে প্রাথমিক স্তরে সমন্বিত উপস্থিতির হার ৮৫ শতাংশ, নিম্নমাধ্যমিকে ৬০ দশমিক ১ শতাংশ এবং উচ্চমাধ্যমিকে ৫০ দশমিক ৮ শতাংশ দেখানো হয়েছে। এগুলো উপস্থিতির হার, শেখার মানের সরাসরি মাপকাঠি নয়। তবে উচ্চতর শিক্ষাস্তরে শিক্ষার্থীদের ধরে রাখার ক্ষেত্রে চ্যালেঞ্জের বিষয়টি তুলে ধরে। পরিবারের ওপর অতিরিক্ত শিক্ষাব্যয়ের চাপ থাকলে নিম্নআয়ের পরিবারের শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়া আরও কঠিন হতে পারে।

শিক্ষার বাণিজ্যিকীকরণ রোধে প্রথমেই ফি ও অতিরিক্ত চার্জের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে হবে। প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে ভর্তি, মাসিক বেতন, পরীক্ষা, পরিবহন ও অন্যান্য খাতের ফি-তালিকা প্রকাশ করতে হবে। নতুন কোনো চার্জ নেওয়ার আগে তার কারণ ও পরিমাণ অভিভাবকদের জানানো প্রয়োজন। পাশাপাশি অভিযোগ জানানোর সহজ ও নিরাপদ ব্যবস্থা, অভিযোগ নিষ্পত্তির নির্দিষ্ট সময়সীমা এবং অনিয়মের অভিযোগে নিরপেক্ষ তদন্তের ব্যবস্থা থাকতে হবে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি অনিয়মের সুযোগ তৈরি করা দুর্বল নীতিমালাও সংশোধন করতে হবে।

শ্রেণিকক্ষের শিক্ষাকে আরও কার্যকর করতে যোগ্যতার ভিত্তিতে শিক্ষক নিয়োগ, বিষয়ভিত্তিক প্রশিক্ষণ, প্রয়োজনীয় শিক্ষাসামগ্রী এবং সম্মানজনক কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করা জরুরি। শিক্ষকসংকট ও অতিরিক্ত বড় শ্রেণিকক্ষের কারণে পিছিয়ে থাকা শিক্ষার্থীদের আলাদাভাবে সহায়তা দেওয়া কঠিন হয়ে পড়ে। নিয়মিত পড়া, লেখা ও গণিতের দক্ষতা যাচাই করে বিদ্যালয়ের মধ্যেই সহায়ক ক্লাস চালু করা যেতে পারে। শ্রেণিকক্ষে শেখার ঘাটতি রেখে শুধু কোচিং বন্ধের উদ্যোগ নিলে প্রত্যাশিত ফল পাওয়া কঠিন হবে। তাই কোচিংয়ের বিকল্প হিসেবে বিদ্যালয়েই প্রয়োজনীয় সহায়তার ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে।

দরিদ্র ও পিছিয়ে পড়া শিক্ষার্থীদের জন্য উপবৃত্তি, বিনা মূল্যে বই ও শিক্ষাসামগ্রী, অতিরিক্ত পাঠ এবং প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের উপযোগী সুবিধা নিশ্চিত করা প্রয়োজন। সরকারি অর্থায়ন বাড়ানোর পাশাপাশি বরাদ্দের যথাযথ ব্যবহার ও ফলাফল প্রকাশ করতে হবে।

সিপিডির বাজেট বিশ্লেষণে ২০২৫-২৬ অর্থবছরে শিক্ষা খাতে বরাদ্দ মোট দেশজ উৎপাদনের প্রায় ১ দশমিক ৫৩ শতাংশ বলে উল্লেখ করা হয়েছিল। অন্যদিকে, ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট বিশ্লেষণে সিপিডি শিক্ষা খাতে ১ লাখ ২২ হাজার ৪৯৫ কোটি টাকা বরাদ্দের কথা জানিয়েছে, যা জাতীয় বাজেটের ১৩ দশমিক ০৬ শতাংশ এবং জিডিপির ১ দশমিক ৭৯ শতাংশ। সংস্থাটির হিসাবে, আগের বছরের প্রস্তাবিত বরাদ্দের তুলনায় এ বরাদ্দ ২৮ শতাংশ বেশি।

তবে শুধু বরাদ্দ বাড়ালেই শিক্ষার মান নিশ্চিত হবে না। বরাদ্দের ফলে শিক্ষার্থীদের শেখার উন্নতি হচ্ছে কি না, শিক্ষকসংকট কমছে কি না এবং সহায়তা প্রকৃত উপকারভোগীদের কাছে পৌঁছাচ্ছে কি না, তা নিয়মিত মূল্যায়ন করতে হবে।

কোচিং ও প্রাইভেট টিউশনের ওপর নির্ভরতা কমানোর বিষয়েও আলোচনা রয়েছে। ২০২৬ সালে প্রকাশিত খসড়া শিক্ষা আইনে ধাপে ধাপে প্রাইভেট টিউশন ও গাইডবই থেকে সরে আসার প্রস্তাবের কথা সংবাদমাধ্যমে জানানো হয়েছে। তবে এটি খসড়া প্রস্তাব; চূড়ান্ত আইন বা বাস্তবায়িত নীতি নয়। বিকল্প ব্যবস্থা নিশ্চিত না করে কোচিং বন্ধের উদ্যোগ নিলে তার চাপ শিক্ষার্থী ও পরিবারের ওপর পড়তে পারে।

শিক্ষার বাণিজ্যিকীকরণ রোধে সরকার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, শিক্ষক ও অভিভাবক—সবার দায়িত্ব রয়েছে। সরকারকে ফি-সংক্রান্ত নীতিমালা, তদারকি, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে সেবার মান ও অর্থের হিসাব প্রকাশ করতে হবে। শিক্ষককে শ্রেণিকক্ষের পাঠদানকে অগ্রাধিকার দেওয়ার উপযুক্ত পরিবেশ দিতে হবে। অভিভাবকদেরও শুধু নম্বরের ওপর গুরুত্ব না দিয়ে শিক্ষার্থীর বোঝাপড়া ও মেধার বিকাশকে প্রাধান্য দেওয়া প্রয়োজন। একই সঙ্গে শিক্ষার্থীদের মতামতকে গুরুত্ব দিতে হবে, কারণ কোন খরচ তাদের জন্য বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছে এবং কোথায় শেখার ঘাটতি রয়েছে, তা তারা সরাসরি জানাতে পারে।

প্রতিটি সংস্কার উদ্যোগের সঙ্গে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্তৃপক্ষ, বাস্তবায়নের সময়সীমা ও অগ্রগতি যাচাইয়ের পদ্ধতি যুক্ত করা প্রয়োজন। এতে নীতিগত সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন এবং অনিয়মের জবাবদিহি নিশ্চিত করা সহজ হবে।

শিক্ষা অর্থের বিনিময়ে সেবা দেওয়ার ক্ষেত্র হতে পারে, কিন্তু মানসম্মত শিক্ষার সুযোগ যেন কেবল সামর্থ্যবানদের মধ্যে সীমাবদ্ধ না থাকে। কোচিং, টিউশন, গাইডবই ও অস্পষ্ট ফি ছাড়া ভালোভাবে শেখা কঠিন হয়ে পড়লে শিক্ষার অধিকার অসম হয়ে যায়। তাই স্বচ্ছ ফি-ব্যবস্থা, মানসম্মত শ্রেণিকক্ষ, দরিদ্র শিক্ষার্থীদের সহায়তা, নিরপেক্ষ তদন্ত ও কার্যকর জবাবদিহির মাধ্যমে শিক্ষার বাণিজ্যিক চাপ কমাতে হবে। শিক্ষার মূল লক্ষ্য হতে হবে শিক্ষার্থীর জ্ঞান অর্জন ও মেধার বিকাশ। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে শিক্ষার বাণিজ্যিকীকরণ রোধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি।


মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

দলের নাম ভাঙিয়ে মানুষকে কষ্ট দিলে ছাড় নয়: তারেক রহমান

1

কক্সবাজারে সরাসরি ফ্লাইট চালাতে পারে হিমালয়া এয়ারলাইন্স

2

বিমানবন্দরে হুমকি-লাঞ্ছনার মামলায় জামায়াত নেতা আখতারুজ্জামান

3

কাজ শেষে ১২.৫৫ লাখ টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত, প্রশংসায় ইউএনও

4

খিলপাড়া মজুমদার বাড়ি: ঐতিহ্য, শিক্ষা ও জনকল্যাণের দুই শতাব্দ

5

জরুরি কলে লঞ্চ থেকে রোগী উদ্ধার, হাসপাতালে পৌঁছে দিল কোস্টগা

6

বিশ্বকাপ উন্মাদনায় সংঘর্ষ ঠেকাতে বড় স্ক্রিনে পুলিশের কড়া নজর

7

আরডিজেএ সদস্য ফিরোজ কবীর শাওনের মৃত্যুতে শোক

8

কেন মেয়াদ শেষের আগেই পদ ছাড়লেন রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন

9

ডেঙ্গু প্রতিরোধে সারাদেশে ৩ মাসের অভিযান শুরু কাল

10

চাঁপাইনবাবগঞ্জের সীমান্তে আবার উত্তেজনা, হামলায় ৩ বাংলাদেশি

11

ঠাকুরগাঁওয়ে ১০০ কিমি ধাওয়া করে ট্রাক থেকে ইয়াবা উদ্ধার, চালক

12

ঢাকা-বাকু ভিসা অব্যাহতি চুক্তি স্বাক্ষর

13

ইইউ ট্যালেন্ট পার্টনারশিপে প্রশিক্ষণ শেষে ইউরোপে যেতে প্রস্ত

14

সাংবাদিকতা পেশায় রাজনৈতিক দলবাজি বন্ধ করা দরকার: সংস্কার কমি

15

পীরগঞ্জের বিসমাইলে অশ্রুসিক্ত বিদায়ে দুর্গা প্রতিমা বিসর্জন

16

করোনাকালে বাড়লেও ক্রমেই কমছে স্টার্টআপে বিনিয়োগ, নীতি সহজ কর

17

সাংবাদিকদের কারণেই দেশে গণতন্ত্র টিকে আছে : তথ্যমন্ত্রী

18

আইইবি নির্বাচনে এ্যাবের প্যানেলের নিরঙ্কুশ বিজয়ের আভাস

19

ফুলবাড়ীতে ভিক্ষুক পুনর্বাসনে ৪২ ছাগল ও ২ মুদি দোকান হস্তান্ত

20