অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ : Nov 3, 2026 ইং
অনলাইন সংস্করণ

শিরোনাম: ভারতের সঙ্গে বাণিজ্য বন্ধে পাকিস্তানের ৪০ বিলিয়ন ডলার ক্ষতির দাবি

ভারতের সঙ্গে বাণিজ্য স্থগিত থাকায় প্রায় ৪০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের অর্থনৈতিক ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেছে পাকিস্তান-ভারত বিজনেস কাউন্সিল। সংগঠনটির চেয়ারম্যান নূর মুহাম্মদ কাসুরি দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্যিক সম্পর্ক পুনরায় চালুর আহ্বান জানিয়েছেন।

ভারতের সঙ্গে বাণিজ্য বন্ধ থাকায় পাকিস্তানের ব্যবসা-বাণিজ্যে বড় ধরনের আর্থিক চাপ তৈরি হয়েছে। পুলওয়ামা সন্ত্রাসী হামলা ও পরবর্তী রাজনৈতিক উত্তেজনার পর দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য স্থগিত হওয়ার পর থেকে পাকিস্তানের প্রায় ৪০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেছেন দেশটির একটি ব্যবসায়ী সংগঠনের প্রধান।

সোমবার (২ নভেম্বর) পাকিস্তান-ভারত বিজনেস কাউন্সিলের চেয়ারম্যান নূর মুহাম্মদ কাসুরি এ তথ্য জানান। একই সঙ্গে তিনি দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্যিক কার্যক্রম পুনরায় চালুর আহ্বান জানান।

কাসুরির মতে, বাণিজ্য পুনরায় শুরু হলে উভয় দেশের ব্যবসায়ীরা উপকৃত হবেন। পাশাপাশি বিনিয়োগ, পর্যটন ও আঞ্চলিক সহযোগিতার ক্ষেত্রেও নতুন সুযোগ তৈরি হতে পারে।

এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, ভারতের সঙ্গে বাণিজ্য বন্ধ থাকায় পাকিস্তানের ব্যবসায়ীদের প্রয়োজনীয় কাঁচামাল ও অন্যান্য পণ্য এখন দূরবর্তী দেশ থেকে আমদানি করতে হচ্ছে। এতে পণ্য পরিবহন ও জাহাজভাড়া বেড়েছে। পাশাপাশি আমদানি করা পণ্য দেশে পৌঁছাতে আগের তুলনায় বেশি সময় লাগছে।

তিনি জানান, পাকিস্তানের ওষুধশিল্পের প্রয়োজনীয় অনেক কাঁচামাল ভারত থেকে তুলনামূলক কম খরচে আমদানি করা সম্ভব ছিল। দুই দেশের বাণিজ্য চালু হলে এসব কাঁচামাল সংগ্রহে পাকিস্তানের বছরে ২০০ কোটি থেকে ৩০০ কোটি মার্কিন ডলার সাশ্রয় হতে পারে।

বাণিজ্য বন্ধের প্রভাব পড়েছে পাকিস্তানের বস্ত্রশিল্পেও। কাসুরির ভাষ্য, তুলার উৎপাদন কমে যাওয়ায় দেশটির বস্ত্রকলগুলোকে ব্রাজিল, মিসর, চীন ও যুক্তরাষ্ট্র থেকে তুলা আমদানি করতে হচ্ছে। এতে অতিরিক্ত প্রায় ৫০০ কোটি মার্কিন ডলার ব্যয় হয়েছে।

এ ছাড়া চিনি, সার, সিমেন্ট, পেট্রোলিয়ামজাত পণ্য, লোহা ও ইস্পাত, শাকসবজি এবং ভারী যন্ত্রপাতির মতো পণ্যও পাকিস্তানকে দূরবর্তী দেশগুলো থেকে আমদানি করতে হচ্ছে বলে জানান তিনি। অথচ এসব পণ্য উৎপাদনে ভারতের পর্যাপ্ত সক্ষমতা রয়েছে।

কাসুরি বলেন, দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য পুনরায় চালু হলে আমদানি ও পরিবহন ব্যয় কমার পাশাপাশি পণ্য সরবরাহব্যবস্থা আরও দ্রুত ও কার্যকর হবে।

তিনি আরও বলেন, ভৌগোলিক নৈকট্যের কারণে ভারতের তেল শোধনাগার থেকে পাকিস্তানে জ্বালানি আমদানি করা গেলে তা তুলনামূলক কম খরচে এবং দ্রুত সরবরাহ করা সম্ভব। তাই রাজনৈতিক উত্তেজনার বাইরে গিয়ে দুই দেশের অর্থনৈতিক স্বার্থ বিবেচনায় বাণিজ্যিক সম্পর্ক পুনঃস্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন।

সূত্র: দ্য ইকোনমিক টাইমস।


মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

ফুলবাড়ী-পার্বতীপুর উপজেলা বিএনপির কমিটি বিলুপ্ত

1

রাষ্ট্রপতির সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ, জাপান সফরের অগ্রগত

2

প্রাণনাশের হুমকি পেয়েছিলেন এই তারকারাও

3

দুর্গাপূজার মণ্ডপ পরিদর্শনে চট্টগ্রামে প্রধানমন্ত্রী তারেক র

4

হাসপাতালে চিকিৎসাধীন মঈন খানকে দেখতে গেলেন রাষ্ট্রপতি

5

ঘর থেকে সংসদ: নারীর অধিকার প্রতিষ্ঠায় পাঁচ দফা দাবি

6

বিএনপি সরকারের বিরুদ্ধে আ. লীগ-জামায়াত এক হয়েছে: রাশেদ খান

7

বিশ্ব শিক্ষক দিবসে ১০২ গুণী শিক্ষককে সম্মাননা দিল সরকার

8

সাগরে মালয়েশিয়াগামী ৬৫ যাত্রী উদ্ধার, আটক ১১ মানবপাচারকারী

9

সাংবাদিকদের কারণেই দেশে গণতন্ত্র টিকে আছে : তথ্যমন্ত্রী

10

গণভোটের দাবিতে অনড় শফিকুর, আপসের সব প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান

11

বঞ্চনা ও বিডিআর ট্র্যাজেডিই জুলাই অভ্যুত্থানের ভিত্তি: শামছু

12

বায়তুল মোকাররমে ১১ দলীয় ঐক্যের গণসমাবেশ শুরু

13

ট্যাপেনটাডল ও নগদ টাকাসহ আটক ২

14

৫৩ বছর দেশ শাসনকারীরা নতুন আশা দেখাতে পারবে না: চরমোনাই পীর

15

চাঁপাইনবাবগঞ্জের সীমান্তে আবার উত্তেজনা, হামলায় ৩ বাংলাদেশি

16

এইচএসসি থেকেই চালু হতে পারে পুনঃপরীক্ষা, সুযোগ পাবেন অনুত্তী

17

অগ্নিকাণ্ডের ৫ দিন পর সচিবালয়ে সাংবাদিকদের প্রবেশ

18

অতীতের রাষ্ট্রপরিচালকেরা দুর্নীতি করে আঙুল ফুলে বটগাছ হয়েছেন

19

আহত সেনা কর্মকর্তাকে দেখতে সিএমএইচে প্রধানমন্ত্রী

20