
বেসামরিক পারমাণবিক শক্তির শান্তিপূর্ণ ব্যবহার নিশ্চিত করতে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কৌশলগত সহযোগিতা চুক্তি সই করেছে বাংলাদেশ। শুক্রবার নিউইয়র্কে দুই দেশের প্রতিনিধিরা চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।
সংবাদ:
বেসামরিক পারমাণবিক শক্তির শান্তিপূর্ণ ব্যবহার এবং এ খাতে সহযোগিতা জোরদারে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কৌশলগত সহযোগিতা চুক্তি করেছে বাংলাদেশ।
শুক্রবার নিউইয়র্কে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে এ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। বাংলাদেশের পক্ষে প্রধানমন্ত্রীর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা রেহান আসাদ এবং যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে দেশটির অর্থনীতিবিষয়ক আন্ডার সেক্রেটারি জ্যাকব হেলবার্গ চুক্তিতে সই করেন।
শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) বিএনপির মিডিয়া সেলের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে এ তথ্য জানানো হয়।
মিডিয়া সেলের তথ্যমতে, ১৯৮১ সালে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাসনামলে শুরু হওয়া বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্রের পারমাণবিক সহযোগিতা উদ্যোগের ধারাবাহিকতায় নতুন এই চুক্তি সই হয়েছে।
চুক্তির আওতায় দুই দেশের মধ্যে পারমাণবিক প্রযুক্তি ও বৈজ্ঞানিক জ্ঞান বিনিময়ের সুযোগ আরও বাড়বে। একই সঙ্গে পারমাণবিক নিরাপত্তা এবং বেসামরিক জ্বালানি খাতে সহযোগিতার পরিধিও সম্প্রসারিত হবে।
বিএনপির মিডিয়া সেলের পোস্টে বলা হয়, বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান জ্বালানি চাহিদা পূরণে পারমাণবিক শক্তিকে একটি গুরুত্বপূর্ণ উৎস হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। এ খাতে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বৃদ্ধির অংশ হিসেবেই যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে নতুন চুক্তিটিকে দেখা হচ্ছে।
বাংলাদেশ ইতোমধ্যে পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদনের পথে এগিয়েছে। রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রকে কেন্দ্র করে দেশে পারমাণবিক জ্বালানি ব্যবহারের অবকাঠামো গড়ে উঠছে। এর পাশাপাশি পারমাণবিক প্রযুক্তির নিরাপদ ও শান্তিপূর্ণ ব্যবহারে আন্তর্জাতিক সহযোগিতার গুরুত্বও বাড়ছে।
নতুন চুক্তির ফলে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে পারমাণবিক প্রযুক্তি, নিরাপত্তা এবং বেসামরিক জ্বালানি খাতে বৈজ্ঞানিক সহযোগিতার নতুন সুযোগ তৈরি হবে বলে জানানো হয়েছে।