
শুক্রবার (১৭ সেপ্টেম্বর) বিকেলে তারা হাসপাতালের জরুরি বিভাগসহ বিভিন্ন অংশ ঘুরে দেখেন। এ সময় হাসপাতাল ভবনের বিভিন্ন স্থানে ফাটল, পলেস্তারা খসে পড়া এবং ভবনের জরাজীর্ণ অবস্থা তাদের নজরে আসে।
হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, ১৯৬৪ সালে নির্মিত এই হাসপাতাল ভবনটির বয়স অনেক বেশি হওয়ায় এর বিভিন্ন অংশ জরাজীর্ণ হয়ে পড়েছে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বিভিন্ন সময়ে ভবনের কিছু অংশ মেরামত করলেও তা প্রয়োজনের তুলনায় পর্যাপ্ত নয়।
গত বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে জরুরি বিভাগে রোগীদের চিকিৎসাসেবা দেওয়ার সময় হঠাৎ ছাদের পলেস্তারা ও সিলিংয়ের একাংশ ভেঙে চিকিৎসক ও রোগীদের ওপর পড়ে। এতে জরুরি বিভাগে দায়িত্ব পালনরত দুই চিকিৎসক এবং চিকিৎসা নিতে আসা দুই রোগী আহত হন। পরে তাদের প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়।
ঘটনার পর থেকে জরুরি বিভাগে চিকিৎসাসেবা নিতে আসা রোগী ও দায়িত্বে থাকা চিকিৎসকদের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে।
পরিদর্শনকালে ফুলবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মশিউর রহমান, মেডিকেল অফিসার সাজেদুর রহমানসহ হাসপাতালের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।
জরাজীর্ণ হাসপাতাল ভবনটি দ্রুত সংস্কার অথবা নতুন ভবন নির্মাণে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।