
সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) নিজের এক্স অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে গালিবাফ বলেন, বিষয়টি খুবই সহজ। ইরানের তেল ও গ্যাস উৎপাদন ব্যবস্থা বিস্তৃত, সহজে পৌঁছানো যায় এবং তুলনামূলকভাবে অরক্ষিত। একইভাবে সংশ্লিষ্ট জলসীমা ও স্থাপনাগুলোর আশপাশে থাকা মার্কিন তেল-গ্যাস কোম্পানিগুলোও অরক্ষিত অবস্থায় রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ইরানের সম্পদে হামলা হলে তারাও পাল্টা আঘাত করবেন। এ ধরনের পদক্ষেপের নজির এরই মধ্যে তারা দেখিয়েছেন বলেও দাবি করেন তিনি। ইরানের স্পিকার মার্কিন বাহিনীর অকার্যকর হয়ে পড়া ঘাঁটিগুলোর দিকে ইঙ্গিত করে সেগুলো পরিদর্শনের কথাও বলেন।
এর আগে মার্কিন প্রতিরক্ষা সচিব পিট হেগসেথ দাবি করেন, ইরানের তেল ট্যাংকার বহর সম্পূর্ণ প্রতিরক্ষাহীন এবং দেশটির কোনো কার্যকর নৌ বা বিমান বাহিনী নেই। তিনি সতর্ক করে বলেন, ইরান যদি মার্কিন জাহাজে হামলা চালায়, তাহলে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের তেল ট্যাংকারগুলো ধ্বংস করে দেবে।
সূত্র: ইরনা